প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০৮:২৩ এএম
ঝুঁকিতে ইবির খালেদা জিয়া হল
কুষ্টিয়ায় অবস্থিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হলের পুরোনো ব্লকটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এই হলে সিটের সংখ্যা ৪৮০, অথচ হলে ছাত্রীসংখ্যা প্রায় ৭০০। হলের ছাত্রীরা শর্ট সার্কিটের সমস্যায় ভুগছে বহুদিন ধরে। বিশেষ করে এই হলের পুরোনো ব্লকের ছাত্রীরা প্রতিটি মুহূর্ত কাটাচ্ছে আতঙ্কে। ইলেক্ট্রিশিয়ান এসে অস্থায়ী সমাধান করলেও স্থায়ী সমাধান এখনও হয়নি। ব্লকে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ঘাটতি রয়েছে। সম্প্রতি শর্ট সার্কিটজনিত কারণে এই ব্লকের মেয়েদের অনেকক্ষণ বাইরে অবস্থান করতে হয়। মেয়েদের একটি হলে এমন ঝুঁকি ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন দফায় দফায় আশ্বাস দিলেও এখনও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এজন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, এই হলের ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।
রুনা লায়লা, শিক্ষার্থী, ইসলামী
বিশ্ববিদ্যালয়,
কুষ্টিয়া
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব
জলবায়ু পরিবর্তন বৈশ্বিক মহামারিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের ওপর ব্যাপক বিরূপ প্রভাব ফেলে। বিগত কয়েক বছর ধরে জলবায়ু পরিবর্তনে আবহাওয়ার ব্যাপক প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বন্ধ রাখতে হয়েছে। অতিবৃষ্টি, খরা, প্রচণ্ড গরম এবং তীব্র শীতÑ কোনো পরিস্থিতিই আমাদের অনুকূলে ছিল না। শিশুদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে বিদ্যালয় বন্ধ রাখতে হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারি করোনার সময়েও আমাদের বিদ্যালয়গুলো বন্ধ ছিল সুস্থতার প্রয়োজনে। আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে অনলাইন ক্লাস চলমান ছিল। ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে অনলাইনে, মোবাইলে সার্বিক যোগাযোগও চলমান ছিল। তবে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসা না থাকায় শিশুদের ওপর নেতিবাচক প্রক্রিয়া ও মনোসামাজিক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল, যা শিশুর সুষ্ঠ বিকাশের অন্তরায়। এসব সমস্যা মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এজন্য জরুরি প্রয়োজন একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও পাঠপ্রক্রিয়ায় পরিবর্তন।
মোর্শেদা বাঁধন, সহকারী শিক্ষক, বাগেরহাট
সদর, বাগেরহাট
পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে
দেশের ১৩ জেলায় সৃষ্ট স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিছু এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করায় বন্যাকবলিত জেলাগুলোয় স্পষ্ট হয়ে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। বানভাসি মানুষের ঘুরে দাঁড়ানোই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় এখনও পানিবন্দি রয়েছে অনেক মানুষ। টিউবওয়েলগুলো ডুবে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির সংকট। দূষিত পানি ব্যবহারের কারণে ডায়রিয়া ও চর্মরোগসহ বাড়ছে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ। পানি কমতে শুরু করায় দেখা দিয়েছে খাদ্য ও সুপেয় পানির সংকট। নিচু এলাকায় এখনও পানিবন্দি রয়েছে অনেক মানুষ। প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ শহরের অনেক এলাকায়ও ভেঙে পড়েছে স্যানিটেশন ব্যবস্থা। ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে পড়ছে বন্যার পানিতে। এতে দেখা দিচ্ছে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগবালাই। ডায়রিয়া, কলেরা ও চর্মরোগ বাদেও নানা ধরনের শারীরিক সমস্যাও বাড়তে শুরু করেছে। এমন সময়ে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের সুস্থতার বিষয়টিকে বেশি জোর দেওয়া জরুরি। বল্যাকবলিত এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু তা বোতলজাত পানি। তবে বোতলজাত সুপেয় পানি সচরাচর পান কিংবা রান্নার কাজে ব্যবহার করা হলেও গোসল বা অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা যায় না। এক্ষেত্রে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট কিংবা ফিটকিরি সরবরাহের দিকে মনোযোগ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি কিছু প্রাথমিক চিকিৎসার উপযোগী ওষুধও সরবরাহ করতে হবে। বন্যার পর জনস্বাস্থ্য সবচেয়ে বড় হুমকির মধ্যে পড়ে। এদিকে তাই নজর দেওয়া জরুরি।
তাসনিম আলম কাব্য, ফরিদপুর